Sunday, 28 March 2021

৬ষ্ঠ শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ২য় সপ্তাহের প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১ - Jahan Bangla News

কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে ২০২১ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে এ্যাসাইনমেন্ট কাজ মূল্যায়ন নির্দেশনা দিয়েছেন। 

৬ষ্ঠ শ্রেণী এ্যাসাইনমেন্ট বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ২০২১


এ্যাসাইনমেন্টের প্রশ্ন শুরু

শ্রেণীঃ ৬ষ্ঠ

বিষয়ঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়


এ্যাসাইনমেন্টঃ

এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ -১


অধ্যায় ও অধ্যায়ের শিরোনামঃ

১ম অধ্যায়ঃ বাংলাদেশ ইতিহাস


পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত পাঠনম্বর ও বিষয়বস্তঃ

পাঠ- ১ ও ২ঃ বাংলাদেশর মুক্তিযুদ্ধ 

পাঠ- ৩, ৪ ও ৫ঃ বাংলাদেশে মানব বসতি ও রাজৈনতিক ইতিহাস 

পাঠ- ৬ঃ প্রাচীন বাংলাদেশের গৌরবঃ সমাজ, অর্থনীতি, ধর্ম

পাঠ- ৭ঃ প্রাচীন বাংলাদেশের গৌরবঃ বিনোদন সংস্কৃতি, স্থাপত্য,  ভাস্কর্য ও চিত্রকলা

পাঠ- ৮ঃ প্রাচীন বাংলাদেশের গৌরবঃ ভাষা, সাহিত্য, শিক্ষা

পাঠ- ৯ঃ মধ্যযুগে বাংলাদেশ

পাঠ- ১০ঃ আধুনিক যুগে বাংলাদেশ


এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজঃ

১৯৫২ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত সময়কালে মুক্তিযুদ্ধের আন্দোলন ও বঙ্গবন্ধুর অবদানের উপর একটি সচিত্র পোস্টার তৈরি কর।


নির্দেশনাঃ

১। আন্দোলনের সময়কাল ধারাবাহিকভাবে উল্লেখ করবে।

২। বঙ্গবন্ধুর ছবি নিজ হাতে এঁকে/পেপার কাটিং থেকে / ইন্টারনেট থেকে সংযোজন করবে।

৩। বিভিন্ন আন্দোলনের ছবি যে কোনো মাধ্যমে থেকে সংগ্রহ করে প্রতিটি আন্দোলনের পাশে সংযোজন করবে।

মূল্যায়নঃ

অতি উত্তমঃ

১। বিষয় বস্তু সঠিক ও ধারাকাহিক।

২। তথ্য ও ধারণা বিষয়বস্তুর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। 

৩। লক্ষণীয়মাত্রার নিজস্বতা ও সৃজনশীলতা।


উত্তমঃ 

১। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিষয়বস্তু সঠিক ও ধারবাহিক।

২। তথ্য ও ধারণা বিষয় বস্তুর সাথে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সঙ্গতিপূর্ণ। 

৩। আংশিক নিজস্বতা ও সৃজনশীলতা।


ভালোঃ

১। বিষয় বসত্র সঠিকতা থাকলেও ধারাবাহিকতার অভাব।

২। তথ্য ও ধারণা আংশিক সঙ্গতিপূর্ণ। 

৩। সামান্যমাত্রায় নিজস্বতা ও সৃজনশীলতা।


অগ্রগতি প্রয়োজনঃ

১। বিষয়বস্তুর সঠিকতা ও ধারাবাহিকতার অভাব।

২। তথ্যও ধারণার সঙ্গতির অভাব।

৩। নিজস্বতা ও সৃজনশীলতার অভাব।


এ্যাসাইনমেন্টের প্রশ্ন শেষ


৬ষ্ঠ শ্রেণী এ্যাসাইনমেন্ট ২য় সপ্তাহের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় উত্তর ২০২১


এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর শুরু

পাকিন্তানিরা প্রথম আক্রমণ করল বাঙালিদের সংস্কৃতি অর্থাৎ মাতৃভাষা বাংলার উপর। তারপর রাজনৈতিক অধিকারের উপর। একতরফা ক্ষমতা ভোগ করে পাকিস্তানি শাসকরা আঘাত হানল আমাদের অর্থনীতির উপর। পাশাপাশি চলল বাঙালি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কুৎসা আর তা ধ্বংসের প্রয়াস। এ অবস্থায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের বাঙলি ঐক্যবদ্ধ হওয়া শুরু করে।

এ সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো এক সাহসী, ত্যাগী ও দূরদর্শী নেতার আবির্ভাব হয়। তাঁর নেতৃত্বে বাঙালি ঐক্যবদ্ধ হয় এবং স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে উঠে। ব্রিটিশ আমল থেকে রাজনীতিতে সক্রিয় শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির স্বাধীকার আন্দোলনের প্রাণপুরুষ হয়ে উঠেন।  ছয় দফা দাবি উত্থাপনের মধ্য দিয়ে বাঙালির রাজনৈতিক,  অর্থনৈতিক দাবিগুলো তিনি সামনে নিয়ে আসেন। ৭ ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে দেয়া তাঁর কালজয়ী বক্তব্য বাঙালিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত করে। উজ্জীবিত জাতি ১৯৭০ এর সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে নিরস্কুশ সঙখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে বিজয়ী করে। কিন্তু সামরিক সরকার এ পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।  তখন এ দেশের রাজনীতিবিদ, ছাত্র-জনতাসহ আপামন জনসাধারণ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আপোষহীন অবস্থান নেয়।


পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ ও আমাদের বিজয়।

২৫ শে মার্চ, ১৯৭১ গভীর রাতে ভারী অন্ত্র আর ট্যাংকবহন নিয়ে এ দেশের ঘুমন্ত মানুষের উপর পাকিস্তানি সৈন্যরা ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায়। ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ মধ্যরাত শেষে  অর্থাৎ ২৬ শে মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেক মজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে একটি বার্তা সারা দেশে পাঠিয়ে দেন।  স্বাধীনতা ঘোষণার পরপরই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে। তখন বাঙলি পুলিশ,  ইপিআর সদস্য, সেনা ও জনতা দ্রুত সংগঠিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধ শুরু করে।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি ও তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। এই সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে। এদেশের পুলিশ ইপিআর সদস্য কৃষক ম্রমিক ছাত্র জনতাসহ সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন।

ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়নসহ অনেক দেশ এই দুঃসময়ে আমাদের পাশে দাঁড়ায়। এক কোটিরও বেশি মানুষ ভিটেমাটি ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল।  ভারত সরকার আশ্রয়গ্রহণকারী বাঙালি শরণার্থীদের খাদ্য, বস্ত্র ও চিকিৎসা সেবা দিয়েছে। পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যাযজ্ঞে ত্রিশ লক্ষ বাঙালি শহিদ হন। অসংখ্য ঘরবাড়ি, জনপদ, লোকালয়, গ্রাম শহর ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।  অনেক রক্ত ও আত্নাত্যাগের বিনিময়ে আমরা ১৬ ই ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করেছি। এ দিনটি আমরা বিজয়দিবস হিসাবে পালন করি। সেদিন তিরানব্বই হাজার পাকিস্তানি সৈন্য আত্নসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছিল।


৬ষ্ঠ শ্রেণী এ্যাসাইনমেন্ট ইংরেজি ২য় সপ্তাহের ২০২১


কাজ চলছে খুব দ্রুত আছে....

৭ম শ্রেণী এ্যাসাইনমেন্ট সকল বিষয় ২য় সপ্তাহের উত্তর ২০২১

৮ম শ্রেণী এ্যাসাইনমেন্ট সকল বিষয় ২য় সপ্তাহের উত্তর ২০২১

৯ম শ্রেণী এ্যাসাইনমেন্ট সকল বিষয় ২য় সপ্তাহের উত্তর ২০২১


শেয়ার করুন

Author:

আমি এই ওয়েবসাইটে সকল দরণের খবর পোস্ট করে থাকি নিয়মিত। আপনার এই ওয়েবসাইট কোন প্রকার খারপ বা দেশ বিরোধী ও আন্তর্জাতিক এবং জাতীয় আইন মেনে কাজ বা খবর প্রচার করে থাকি।আপনার এখন সঠিক তথ্য পাবেন। ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য।

0 coment rios: