রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মনোযোগ হারাচ্ছে বিশ্বের কাছে - জাহান বাংলা নিউজ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের মনোযোগ হারাচ্ছে বিশ্ব কোন?

জান্তা সরকার প্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং আসিয়ানের বিশেষ সম্মেলনে যোগ দিতে প্রথম বাবের মত দেশের বাইরে যাচ্ছেন। মিয়ানমার ক্ষমতা দখল করা প্রয়া আড়াই মাস পেরিয়ে গেল জান্তার।

যতদিন বা সময় যাচ্ছে ততই মিয়ানমারে জান্তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বাড়ছে এর সাথে সাথে রাজপথে রক্ত ক্ষয় হচ্ছে অনেক। মিয়ানমারে এই সংকট নিয়ে আলোচনা জন্য আগামী শনিবার  বিশেষ সম্মেলনে ডেকেছে দক্ষিণ - পূর্ব এশিয়া দেশগুলোর জোট আসিয়ান।

কিন্তু সেনা অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত জাতীয় ঐক্যের সরকার সামরিক শাসক স্বীকৃতি না দিতে আহ্বান জানিয়েছে আসিয়ান জোট কে। এনএলডির নেতৃত্ব গঠন হয়েছে জাতীয় ঐক্য সরকার (এনএইজি)।

মিয়ানমার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমগুলে আলোচনা সমালোচানার চলার করণে বাংলাদেশ থাকা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের অনিশ্চয়তা বাড়ছে। এইরকম সমস্যা চলাকালীন বাংলাদেশ আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের বিষয়টি বিশ্ব সম্প্রদায়ের মনোযোগ হারাচ্ছে। 

পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন গত রোববার রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রথম আলোকে বলেন, মিয়ানমারে বর্তমান পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা সুযোগ নেই।
কারণ, সামরিক শাসক এক রকম কথা বলে আর এনএলডি নেতৃত্ব জাতীয় ঐক্য সরকার অন্য রকম কথা বলে। তাই বাংলাদেশ থাকা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারে পরিস্থিতি স্থিতিশীল চায়। 

মিয়ানমারে অস্থিতিশীল নিরপত্তাঝুঁকির কথা জানতে চাইলে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, বর্তমানে মিয়ানমারে যে পরিস্থিতি তা যদি রাখাইনে ছড়িয়ে পরে তা নতুন ঢল নামতে পারে। আর আমাদের নতুন করে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার আবস্থা নেই। যেগুলো রোহিঙ্গা আছে সেইগুলো নিয়ে আমরা হিমসিম খাচ্ছি।

২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর মূল্য চুক্তি করেছিল 
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার নেপিডোতে। রাখাইন প্রত্যাবাসন উপযোগী পরিবেশ না করায় মিয়ানমার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ ২০১৮ ও ২০১৯ সালে  দুই দফা দিনক্ষণ চূড়ান্ত করেন। কিন্তু রোহিঙ্গারা রাজি না হওয়ায় প্রত্যাবাসন দুই দফা চেষ্টা ভেস্তে যায়। 

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url