গণপরিবহণ বুধবার এবং শপিংমল - দোকান খুলতে চান ব্যবসায়ীরা বৃহিস্পতিবার - Jahan Bangla News

বৃহিস্পতিবার শপিংমল ও দোকান খুলতে চায় ব্যবসায়ীরা

বৃহিস্পতিবার শপিংমল ও দোকান খুলতে চায় ব্যবসায়ীরা কিন্তু করোনাভাইরাস  সংক্রমণ বাড়ার কারণে গত সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন থাকে বলে জানিয়েছে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। 

সোমবার লাকডাউন শুরু সাথে সাথে ব্যবসায়ীরা লকডাউন বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করতে শুরু করেন। আজ আবারও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সংবাদ সম্মেলনে আয়োজন বলে বুধবার রাজধানী ও ঢাকা এবং সিটি করপোরেশন সীমিত পরিসরে গণপরিবহন চালু করা হবে বলে জানায়। কিন্তু শপিংমল ও দোকান খোলার ব্যাপারে কোন কথা বলেনি ওবায়দুল কাদের।  

লকডাউনেও গণপরিবহণ চালুর সিদ্ধান্ত নেয়ার পর দোকানপাট খোলা হচ্ছে  না কেন তা নিয়ে ধোঁয়াশায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা । আগামী বৃহিস্পতিবার থেকে তারা সীমিত পরিসরে শপিংমল ও দোকানপাট খুলতে চান ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি এরই মধ্যে এক চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে শপিংমল-দোকানপাট খুলে দেয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছে । চিঠিতে বলেন আগামী বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) থেকে ক্ষুদ্র, পাইকারি, খুচরা মার্কেট ও দোকান স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সীমিত পরিসরে খোলা রাখার অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রীকে।


চিঠিতে আরও তারা জানিয়েছেন, গত বছরের (২০২০ সাল) লকডাউনে তারা ৭-৮ হাজার কোটি টাকার পুঁজি হারিয়েছেন। সেই সঙ্গে রমজান ও ঈদ উপলক্ষে ২২-২৩ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ থেকেও বঞ্চিত হয়েছিল। বড় ধরনের ক্ষতির পরও করোনার মধ্যে ক্ষুদ্র, পাইকারি, খুচরা মার্কেট ও দোকানিরা দেশ ও জাতির স্বার্থে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ব্যাপারে তাদের মানসিক প্রস্তুতি ছিল।

ব্যবসায়ীরা আরও উল্লেখ করেছেন যে, এই বছর ক্ষুদ্র, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা রমজান ও ঈদ উপলক্ষে কিছুটা ব্যবসায়ের আশায় নতুন করে বিনিয়োগ করেছেন। তারা বলেন আমাদের সারা বছর যে বিক্রিয় হয় তার চেয়ে বেশি বিক্রয় হয় রমজান ও ঈদ উপলক্ষে তাই আমরা ঈদের সময় অন্যান্য দিনগুলোর চাইতে ঈদ উপলক্ষে বেশি বিনিয়োগ করে থাকি এবং করেছি। আবার যদি লকডাউন দেওয়া হয় তাহলে আমাদের অনেক বড় ক্ষতি হবে এমন কি পরবর্তী আমরা ব্যবসা দাঁড় করাতে পারবোনা।

হঠাৎ করেই লকডাউনের ঘোষণায় ফের ব্যবসায়ীরা পুঁজি হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের সীমিত পরিসরে ব্যবসা করার সুযোগ না দিলে পুঁজিসহ সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়বে শপিংমল ও দোকান ব্যবসায়ীরা। লকডাউন ঘোষণার পর থেকে টানা তিনদিন ধরে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলছেন, সামনে বাংলা নববর্ষ, রমজান ও ঈদ। এসব উৎসব ঘিরে আমরা অনেক বিনিয়োগ করা হয়েছে, তা যদি না ওঠে তাহলে আমরা নিঃস্ব হয়ে যাবে। তা তারা বলেন নির্দিষ্ট কিছু সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দেয়ার দাবি তাদের। যাতে আমাদের বিনিয়োগ কৃত টাকা ওঠাতে পারি।

বিকাশ অ্যাপ দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে পেয়া যাছেন ৫০ টাকা বোনাস আরও থাকছে লগইন করে অ্যাপ দিয়ে প্রথম ২৫ টাকা রির্চাজে আপনি পাছেন ১০০% ক্যাশব্যাক, বিল বিকাশ করলে পাবেন সর্বোচ্চ ৫০ টাকা ক্যাশব্যাক। আর দেরিনা এখনি Download করুন। BKash App Download

সূত্রঃ জাগো নিউজ

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সভাপতি হেলাল উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন,"দোকান খোলার ব্যাপারে আমরা এখন কোন আশ্বাস পায়নি। আমরা প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলাল জন্য চেষ্টা করছি এমন কি আমরা প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আমার এসএমএস এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলাল চেষ্টা করছি। সেহেতু সবাই খোলা আছে, এমন পরিস্থিতি শতভাগ লকডাউন মনে হচ্ছে না।"

তিনি আরও বলেন, গত বছরে (২০২০) এমনিতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা শেষে হয়েগিছে।  তার আবার অনেক চেষ্টা করে দাঁড়িয়ে আবার এমন করলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আর ব্যবসা করতে পারবে না। পাইকারি বাজার থেকে ব্যবসায়ীরা পণ্য, না কিনতে পাররে খুচরা বাজারে পণ্যের দাম বাড়বে সেটা আরও ভয়ংকর। সাতদিনের মধ্যে যদি ব্যবসা চালু করতে না পারে তাহলে তা ধ্বংসের মুখে পরবে। কথাগুলি আমরা মূখ্য সচিব ও মন্ত্রীপরিষদ সচিবকে বলেছি। 

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url