এসএসসি ২০২২ ১৫ তম সপ্তাহ কৃষি শিক্ষা অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান, SSC (এসএসসি) কৃষিশিক্ষা ১৫ তম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২, SSC Agricultural Assignment Answer 15th Week 2022

এসএসসি ২০২২ ১৫ তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর


এসএসসি ২০২২ ১৫ তম সপ্তাহ কৃষিশিক্ষা  অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান, SSC 2022 15 th Week Agricultural Assignment Solution

২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য এসএসসি ২০২২ ১৫ তম সপ্তাহ কৃষিশিক্ষা এসাইনমেন্ট প্রশ্ন প্রকাশিত হয়েছে। ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা ১৫ তম সপ্তাহের কৃষিশিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান করে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে। 

এসএসসি ২০২২ ১৫ তম সপ্তাহ কৃষিশিক্ষা অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান, SSC 2022 15 th Week Krsi Shikha Assignment Solution

চলমান Covid-19 মহামারীর কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক পুনর্বিন্যাস কৃত পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের শিখন কার্যক্রমে পুরোপুরি সম্পৃক্তকরণ ও ধারাবাহিক মূল্যায়ন এর আওতায় আনার জন্য ১৫ তম সপ্তাহের কৃষিশিক্ষা অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করা হয়েছে। ২৬ শে জানুয়ারি ২০২২ থেকে ১৫ তম সপ্তাহের কৃষিশিক্ষা অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম শুরু হবে। ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৫ তম সপ্তাহের কৃষিশিক্ষা অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করা হয়েছে এবং শিক্ষার্থীরা তাও বাসায় বসে উত্তর প্রদান করে তা নিজ দায়িত্বে যত দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষকের নিকট হস্তান্তর করবেন।

এসএসসি ২০২২ ১৫ তম সপ্তাহ কৃষিশিক্ষা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর,  SSC 2022 15 th Week Agricultural Assignment answer

শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত বিভিন্ন বিজ্ঞপ্তিতে সারা দেশের সকল শিক্ষাব্যবস্থা বিভিন্ন পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রক্রিয়া অনুসরণ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সারা দেশের সকল শিক্ষা কার্যক্রম চালু রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৫ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে এসএসসি ২০২২ কৃষিশিক্ষা এসাইনমেন্ট প্রকাশিত হয়েছে। এসএসসি ২০২২ কৃষিশিক্ষা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সম্পর্কিত নির্দেশনা আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছি। শিক্ষার্থীরা কৃষিশিক্ষা বিষয়ে পারদর্শী হয়ে ওঠার জন্য এই মহামারীর সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এসাইনমেন্ট এর ব্যবস্থা করেছেন। আমাদের ওয়েবসাইটে অ্যাসাইনমেন্ট এর নমুনা উত্তর প্রকাশিত হয়েছে। এই উত্তর দেখে শিক্ষার্থীরা এসাইনমেন্ট এর সমাধান কিভাবে করতে হবে সে সম্পর্কে ধারনা পাবেন। এসএসসি ২০২২ কৃষিশিক্ষা এসাইনমেন্ট উত্তর আমাদের ওয়েবসাইট থেকে নমুনা হিসেবে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

এসএসসি কৃষিশিক্ষা ১৫ তম সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২, SSC krsi shikha 15 th Week  Assignment Solution 2022

এসএসসি পরীক্ষা ২০২২ এ অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিজ্ঞান প্রকাশিত হয়েছে। ১৫ তম সপ্তাহের কৃষিশিক্ষা অ্যাসাইনমেন্ট এবার বিজ্ঞান বইয়ে সম্পর্কে প্রকাশিত হয়েছে। এসএসসি ২০২২ কৃষিশিক্ষা মূলত যে সকল পরীক্ষার্থী বিদ্যালয়ে সকল বিভাগ নিয়ে পড়াশোনা করেছেন তাদের জন্য। সকল বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে কৃষিশিক্ষা সম্পর্কে এবার এসাইনমেন্ট প্রকাশিত হয়েছে। এসএসসি ২০২২ কৃষিশিক্ষা অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান আমাদের ওয়েবসাইটে নমুনা উত্তর হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে।

১৫ তম সপ্তাহের এসএসসি ২০২২ কৃষিশিক্ষা এসাইনমেন্ট এর শিখনফল, 15 th Week SSC 2022 Agricultural Assignment answer 

বিষয় : কৃষিশিক্ষা

অ্যাসাইনমেন্টঃ 

 “ উত্তমরুপে জমি প্রস্তুত না করে ফসল নির্বাচনই ভূমিক্ষয়ের একমাত্র কারণ ”


এসএসসি ২০২২ কৃষিশিক্ষা ১৫ তম সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন, SSC Agricultural Assignment Solution 2022 15 th Week 

এসএসসি ২০২২ কৃষিশিক্ষা ১৫ তম সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন

এসএসসি ২০২২ কৃষিশিক্ষা অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান এর নির্দেশনা, 2022 SSC Agricultural Assignment answer 15 th Week 


এসএসসি ২০২২ কৃষিশিক্ষা ১৫ তম সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর, SSC 2022 15 th Week krsi shikha Assignment answer


SSC (এসএসসি) কৃষিশিক্ষা ১৫ তম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

বিষয়ঃ কৃষিশিক্ষা

শিরোনামঃ

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ “ উত্তমরুপে জমি প্রস্তুত না করে ফসল নির্বাচনই ভূমিক্ষয়ের একমাত্র কারণ ”


উক্তির পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে যুক্তি উপস্থাপন।


ভূমিকা : জমি চাষ করে তা বীজের অংকুরোদগমের জন্য তথা ফসল উৎপাদনের জন্য সুনিপণ করে তোলা বেশ কিছু নিয়ামক দ্বারা নির্ধারিত হয় । যেমন- মাটির প্রকৃতি , জৈব পদার্থের উপস্থিতির মাত্রা , মাটির রস এবং সর্বোপরি ফসলের প্রকারভেদ । স্বভাবতই মাটি যদি দোআঁশ , বেলে কিংবা বেলে দোআঁশ প্রকৃতির হয় তাহলে অল্প চাষ ও মই দিয়ে ভূমিকে ফসল উৎপাদন তথা বীজের অংকুরোদগমের উপযোগী করা যায় । বিপরীতে কাদামাটির ক্ষেত্রে বেশি চাষের প্রয়োজন পড়ে । বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক কারণ যেমন বায়ুপ্রবাহ , পানি প্রবাহ বৃষ্টিপাত এবং অন্যান্য কারণে ভূমির উপরিভাগের উর্বর মাটি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরে যাওয়াকে ভূমিক্ষয় বলে ।
কৃষি জমির উপরিভাগ থেকে ১৫-২০ সে.মি. গভীরতা পর্যন্ত উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান বেশি পরিমাণে সঞ্চিত থাকে । ভূমিক্ষয়ের ফলে এ পুষ্টি উপদানের স্থানান্তর ঘটে , ফলে জমি অনুর্বর হয়ে পড়ে ।

জমি প্রস্তুতি কি ও জমি প্রস্তুতির গুরুত্ব জমি

প্রস্তুতি : জমি চাষ করে তা বীজের অংকুরোদগমের জন্য তথা ফসল উৎপাদনের জন্য সুনিপণ করে তোলা বেশ কিছু নিয়ামক দ্বারা নির্ধারিত হয় । যেমন- মাটির প্রকৃতি , জৈব পদার্থের উপস্থিতির মাত্রা , মাটির রস এবং সর্বোপরি ফসলের প্রকারভেদ । স্বভাবতই মাটি যদি দোআঁশ , বেলে কিংবা বেলে দোআঁশ প্রকৃতির হয় তাহলে অল্প চাষ ও মই দিয়ে ভূমিকে ফসল উৎপাদন তথা বীজের অংকুরোদগমের উপযোগী করা যায় । বিপরীতে কাদামাটির ক্ষেত্রে বেশি চাষের প্রয়োজন পড়ে।

নিচে জমির প্রস্তুতির উদ্দেশ্য বর্ণনা করা হলো ।

জমি প্রস্তুতির গুরুত্ব : ভূমি কর্ষণ জমি প্রস্তুতির প্রথম ধাপ । ভূমি কর্ষণের সংকীর্ণ অর্থ হলো ফসল ফলানোর উদ্দেশ্যে জমির মাটি যন্ত্রের সাহায্যে খুঁড়ে আলগা করা । কিন্তু ভূমি কর্ষণের সাথে নানা প্রযুক্তি জড়িত । যেমন , বীজকে অঙ্কুরোদগমের জন্য উপযুক্ত স্থানে ও সঠিক গভীরতায় স্থাপন করা মাটিতে বায় চলাচলের সবিধা সৃষ্টি করা উপরের মাটি নিচে এবং নিচের মাটি উপরে নিয়ে আসা , মাটিতে অণুজীবের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করা ইত্যাদি । এসব দিক বিবেচনা করে জমি প্রস্তুতির গুরুত্ব উপলদ্ধি করা যায় । আর এই গুরুত্ব অনুধাবনের জন্য ভূমি কর্ষণকে সংজ্ঞায়িত করা যায় যে “ শস্যের বীজ মাটিতে সুষ্ঠুভাবে বপন ও পরবর্তী পর্যায়ে চারাগাছ বৃদ্ধির জন্য মাটিকে যে প্রক্রিয়ায় খুঁড়ে বা আঁচড়ে যে আগাছামুক্ত , নরম , আলগা ও ঝুরঝুরা করা হয় তাকে ভূমিকর্ষণ বলে ” । ভূমি কর্ষণ জমি প্রস্তুতির প্রাথমিক ধাপ । আদিকাল থেকেই মানুষ ভূমি কর্ষণ তথা জমি প্রস্তুতির গুরুত্ব উপলদ্ধি করতে পেরেছেন । তাই তারা কাঠের বা পাথরের তৈরি সুচালো যন্ত্রের সাহায্যে মাটি আলগা ও নরম করে ফসলের বীজ বুনতে বা চারা রোপণ করতেন । ফসলভেদে ভূমি কর্ষণের তারতম্য হতে পারে কিন্তু এর গুরুত্ব কখনো খাট করে দেখার বিষয় নয় ।

ভূমিক্ষয়ের সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ ভূমিক্ষয়ের সংজ্ঞা : বৃষ্টি , নদী , বায়ুপ্রবাহ , হিমবাহ ইত্যাদির ক্রিয়ায় ভূভাগের ক্ষয় ঘটে এবং ভূমিপৃষ্ঠের উচ্চতা কমতে থাকে । ভূমিপৃষ্ঠের এভাবে ক্ষয়কে ভূমিক্ষয় বলে ।

ভূমিক্ষয়ের প্রকারভেদ :

ভূমিক্ষয় দুই প্রকার যথা : ১. প্রাকৃতিক ভূমিক্ষয় | ২. মানুষ্য কর্তৃক ভূমিক্ষয় । 

★ প্রাকৃতিক ভূমিক্ষয় : ভূমিক্ষয়ের প্রাকৃতিক হস্তক্ষেপ ব্যাপক । ভূ সৃষ্টির শুরু থেকেই এর ক্ষয় শুরু হয়েছে । দীর্ঘকালের এই ক্ষয়ের ফলেই নদীর মোহনায় বা সমুদ্রে চর সৃষ্টি হয়েছে বা দ্বীপ গড়ে উঠেছে । এই ভূমিক্ষয়ের ফলে পৃথিবীর অনেক অঞ্চল উর্বর হয়েছে আবার অনেক অঞ্চল অনুর্বর হয়েছে । প্রকৃতপক্ষে অনবরত ভূমিক্ষয় হচ্ছে অথচ আমরা তা উপলদ্ধি | করি না । বায়ুপ্রবাহ ও বৃষ্টিপাত প্রাকৃতিক কারণশুলোর মধ্যে অন্যতম । এগুলো চলার পথে ভূ পৃষ্ঠের মাটির কণা বহন করে নিয়ে যায় । এ জন্য যে পরিমাণ মাটির ক্ষয় হয় তা খুবই নগণ্য এবং দৃষ্টিগ্রাহ্যও হয় না । হয়তো তাই ভূমির এই ক্ষয়কে বলা হয় স্বাভাবিক ক্ষয় । প্রাকৃতিক ভূমিক্ষয় মাটি গঠন প্রক্রিয়ারই একটি অংশ বলে বিবেচতি হয় । মাটি গঠন ও ভূমিক্ষয়ের মধ্যে একটি ভারসাম্য রয়েছে । দীর্ঘকাল ভূমিয়ের ফলে কৃষিকাজ একটা বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে ।

মানুষ কর্তৃক ভূমিক্ষয় : মানুষের বাচার জন্য খাদ্যের প্রয়োজন । খাদ্য উৎপাদনের জন্য মানুষ মাটিকে যথেষ্ট ব্যবহার করে আসছে সভ্যতার সূচনালগ্ন থেকে । ভূমিকৰ্ষণ , পানি সেচ , পানি নিষ্কাশন ইত্যাদি কাজ কৃষিকাজের মুল অংশ । এ কাজগুলো দ্বারা মাটিকে প্রতিনিয়ত উৎপীড়ন করা হচ্ছে । ফলে ভূমিগুলো প্রাকৃতিক শক্তির তথা বৃষ্টি ও বাতাসের নিকট উন্মোচিত করছে এবং ক্ষয় হচ্ছে । মাটিকে যত ব্যবহার করা হবে ততই এর ক্ষয় হতে থাকবে ।

আবার ভূমিক্ষয়কে প্রধানত দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায় ।

যথা : ১. বৃষ্টিপাতজনিত ভূমিক্ষয় ২. বায়ুপ্রবাহজনিত ভূমিক্ষর

★ বৃষ্টিপাতজনিত ভূমিক্ষয় : বৃষ্টিপাতের কারণে বাংলাদেশে ব্যাপক ভূমিক্ষয় হয় । এই ভূমিক্ষয়কে নিচের চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায় : ১. আস্তরণ ভূমিক্ষয় ২. রিল ভূমিক্ষয় ৩. নালা বা গালি ভূমিক্ষয় ৪. নদী ভাঙন ।

আস্তরণ ভূমিক্ষয় : যখন বৃষ্টির পানি বা সেচের পানি উঁচু স্থান থেকে ঢাল বেয়ে জমির উপর দিয়ে নিচের দিকে প্রবাহিত হয় তখন জমির উপরিভাগের নরম ও উর্বর মাটির কণা কেটে পাতলা আবরণের বা আস্তরণের মতো চলে যায় । এইটাকেই বলা হয় আস্তরণ ভূমিক্ষয় ।

রিল ভূমিক্ষয় : রিল ভূমিক্ষর আস্তরণ ভূমিক্ষয়েরই দ্বিতীয় ধাপ । প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে পানি বেশি হলে জমির ঢাল বরাবর লম্বাকৃতিয় রেখা সৃষ্টি হয় । যা অনেকটা হাতের রেখার মতো ।

নালা বা গালি ভূমিক্ষয় : এই ভূমিক্ষয় আন্তরণ ভূমিক্ষয়ের তৃতীয় ধাপ । অর্থাৎ রিল ভূমিক্ষয় থেকেই নালা বা গালি ভূমিক্ষয়ের উদ্ভব ।

নদী ভাঙন : নদী ভাঙন বাংলাদেশের ভূমিক্ষয়ের একটি উল্লেখযোগ্য কারন । চাদপুর , | সিরাজগঞ্জ , গোয়ালন্দ প্রভৃতি অঞ্চলে প্রতি বৎসরই নদী ভাঙনে শত শত হেক্টর জমি নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে ।

বায়ু ভূমিক্ষয় :

 যেসব এলাকায় গাছপালা কম এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণও কম , সেসব এলাকায় বাত্যাজনিত কারণে ভূমিক্ষয়ের প্রকোপ দেখা যায় । ভূমিক্ষয়ের কারণ বিভিন্ন কারণে ভূমিক্ষয় ঘটতে পারে । যথা- ( ১ ) বৃষ্টিপাত , ( ২ ) ভূমির ঢাল ( ৩ ) মাটির প্রকৃতি ( ৪ ) শস্যের প্রকার ( ৫ ) জমি চাষ পদ্ধতি ( ৬ ) অত্যধিক পশুচারণ ( ৭ ) মানব কার্যাবলি ।

১। বৃষ্টিপাত : ভূমিক্ষয়ের প্রধান কারণ হলো বৃষ্টিপাত । এর তীব্রতা , সংখ্যা এবং পরিমাণ সরাসরি ভূমিক্ষয়ের মাত্রাকে প্রভাবিত করে । বড় আকারে বৃষ্টির ফোঁটা মাটিকে সজোরে আঘাত করলে মাটির কণা পানির সাথে স্থানান্তরিত হয়ে থাকে । ঘন ঘন এবং অনেক সময় ধরে মুষলধারে বৃষ্টিপাত হলে মৃত্তিকার শোষণ ক্ষমতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পায় । এমন অবস্থায় অতিরিক্ত পানির সাথে মাটির কণা মিশে জমির উপর দিয়ে নিচের দিকে ধাবিত হয় । প্রবাহমান পানির বেগ যত বেশি হবে মাটির ক্ষয়ও তত বেশি হবে ।

২। ভূমির ঢাল : ভূমির ঢাল মাটি ক্ষয়ের অন্যতম প্রধান কারণ । যে জমি যত বেশি ঢালু এবং ঢালের দৈর্ঘ্যও বেশি , সে জমির মাটি ক্ষয় তত বেশি হয় কারণ অধিকতর ঢালু জমিতে প্রবাহমান পানির বেগও অধিক হয়ে থাকে ।

৩। মাটির প্রকৃতি : মাটির বুনট মাটি কণার দানাবন্ধন ও জৈব পদার্থের পরিমাণের উপর মাটির ক্ষয় অনেকাংশে নির্ভর করে , হাল্কা , দানাদার ও জৈব পদার্থযুক্ত মাটি রন্ধ্রবহুল বলে বৃষ্টির পানি সহজেই শোষিত হয় । এ ধরনের মাটির ক্ষয় কম হয় । অন্যদিকে অপেক্ষাকৃত ভারি এঁটেল জাতীয় মাটির রন্ধ্রতা কম থাকায় , এ মাটির পানি শোষণ ক্ষমতা কম , এ ধরনের মাটি অল্প বৃষ্টিতেও অধিক ক্ষয় হয় ।

৪। শস্যের প্রকার : শস্য নির্বাচন করে মাটির ক্ষয় কমানো সম্ভব । চীনাবাদাম , খেসারি , বরবটি , সয়াবিন প্রভৃতি অধিক পাতাযুক্ত ফসলের চাষাবাদ করে ভূমিক্ষয় কমানো সম্ভব । অন্যদিকে ইক্ষু , ভূট্টা , তুলা প্রভৃতি কম পাতাযুক্ত ফসলের চাষাবাদে ভূমিক্ষয় বেশি হয় ।

৫। জমির চাষ পদ্ধতি : জমির প্রকৃতি না বুঝে জমি চাষ করলে উপরিস্তরের উর্বর মাটির ক্ষয়সাধন বেশি হয়ে থাকে । যেমন- অসমতল বিশেষ করে পাহাড়ি জমিতে ঢালের আড়াআড়ি চাষ না করে ঢাল বরাবরে চাষ করলে ভূমিক্ষয় বেশি হয় ।

৬। অত্যাধিক পশুচারণ : অত্যাধিক বা অনিয়মিত পশুচারণ ভূমিক্ষয়ের আর একটি অন্যতম কারণ । অত্যধিক পশুচারণে পশুর পা দ্বারা ভূমির মাটি অধিকহারে অপসারিত হয় ।

৭। মানব কার্যাবলি : মানুষ ভূমিক্ষয় বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ । সাধারণ অবস্থায় বনজঙ্গল বা মাট - ঘাটে ভূমিক্ষয় ঘটে না । মানুষ অপরিকল্পিতভাবে ব্যাপকভাবে গাছপালা কেটে ফেললে জমি উন্মুক্ত হয়ে পড়ে এবং ভূমিক্ষয় বৃদ্ধি পায় ।

বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট করে উপস্থাপন , বিভিন্ন কারণে ভূমিক্ষয় ঘটতে পারে । বৃষ্টিপাত ভূমির ঢাল , মাটির প্রকৃতি । শস্যের প্রকার , চাষ পদ্ধতি , পশুচারণ ও মানুষ্য কার্যাবলী এর জন্য দায়ী । ভূমিক্ষয়ের ফলে যেহেতু পুষ্টি উপাদানের স্থানান্তর ঘটে , এ বিপর্যয় রোধের জন্য কার্যকরি পদক্ষেপ নেওয়াও জরুরী । পানি প্রবাহের গতিমুখ পরিবর্তন বা বেগ কমিয়ে ভূমিক্ষয় রোধ করা যায় । এছাড়া পানি নিস্কাশনের কার্যকরি । ব্যবস্থা , বনভূমি সৃষ্টি , চাষ পদ্ধতির পরিবর্তন , বাঁধ বা আইল তৈরী করেও ক্ষেত্র বিশেষ ভূমিক্ষয় রোধ করা সম্ভব । এ পরিবর্তন , বাঁধ বা আইল তৈরী করেও ক্ষেত্র বিশেষ ভূমিক্ষয় রোধ করা সম্ভব । পরিবর্তন , বাঁধ বা কাজেই “ উত্তমরুপে জমি প্রস্তুত না করে ফসল নির্বাচনই ভূমিক্ষয়ের একমাত্র কারণ । ” এই উক্তিটির সাথে আমি একমত নই । কেননা ভূমিক্ষয়ের অন্যন্য কারণে মাঝে এটিই একটি কারণ মাত্র ।

বিশেষ সতর্কতা: উপরোক্ত নমুনা উত্তরগুলো দেওয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য হল, শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত বিষয়ের উপর ধারণা দেওয়া। ধারণা নেওয়ার পর অবশ্যই নিজের মত করে এসাইনমেন্ট লিখতে হবে। উল্লেখ্য যে, হুবহু লেখার কারণে আপনার উত্তর পত্রটি বাতিল হতে পারে। এ সংক্রান্ত কোন দায়ভার JahanBanglaNews -এর নয়।

এসএসসি ২০২২ কৃষিশিক্ষা ১৫ তম সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর, SSC 2022 15 th Week Agricultural Assignment answer





আপনি পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করতে পারবেন 180 সেকেন্ড পর



Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url